যশোরে কর কমিশনারের কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট শহরের টিবি ক্লিনিক মোড়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে চার জেলা নিয়ে অফিসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এরই মধ্যে অফিসে একজন কমিশনার নিয়োগ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এর আগে কর কমিশনারের কার্যালয়টি ছিল খুলনায়। যশোর অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের সেখানে গিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হতো। কার্যালয়টি যশোরে চালু হওয়ায় এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের আর খুলনায় যেতে হবে না। এখন যশোর থেকেই তারা কমিশনারের কার্যালয়ের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
যশোরের কর কমিশনার মাসুদ রানা বলেন, ‘চারটি জেলা নিয়ে নতুন কর কমিশনারের কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বর্তমানে অস্থায়ীভাবে অফিসের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। শিগগিরই আমরা নতুন অফিসে উঠব। সেখানে পূর্ণাঙ্গভাবে চার জেলার কর আদায়ের কাজ শুরু হবে। চারটি জেলার অধীনে ২২টি সার্কেল অফিস করা হবে। যশোর সদরে আগে একটি সার্কেল অফিস ছিল। ফলে লোকবলের অভাবে নতুন করদাতা শনাক্ত ও রাজস্ব আদায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এখন যশোর সদরে ছয়টি সার্কেল অফিস করা হবে। এতে করে নতুন করদাতা এবং যারা নিয়মিত কর দিচ্ছেন না, তাদেরকে শনাক্ত করতে সহজ হবে।’
যশোর চেম্বার অব কমার্সের যুগ্ম সম্পাদক এজাজ উদ্দিন টিপু বলেন, ‘কর কমিশনারের কার্যালয় যশোরে শুরু হওয়ায় এ অঞ্চলের ব্যবসায়ী, তথা করদাতারা সুবিধা পাবেন। তবে কর কর্মকর্তাদের করদাতাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বাজায় রেখে কর আদায় করতে হবে।’
ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন, যশোরের সাবেক সভাপতি মোয়াজ্জেদ হোসেন জানান, ‘আগে লোকবলের অভাবে নতুন করদাতা শনাক্ত করা যেত না। এখন নতুন করদাতা বাড়বে। একই সঙ্গে করদাতাদের আপিলের জন্যও খুলনায় যেতে হবে না। সমস্যাগুলো এখন যশোর থেকেই সমাধান করতে পারবেন।’
যশোর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান জানান, ‘আগে কর নিয়ে আপিল করতে খুলনায় যেতে হতো। এখন থেকে সেই ঝামেলা পোহাতে হবে না। যশোর কমিশনারেট সব আপিল নিষ্পত্তি করবে। তবে আমরা আহবান জানাব, কর কর্মকর্তাদের দ্বারা যেন কেউ হয়রানির শিকার না হয়।’